আসন্ন দ্বাদশ ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার প্রায় ১০ লক্ষ (৯,৭০,৯৪৮ জন) আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করেছে [১.৩.২, ১.৩.৩]। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচনে মূলত নিচের বাহিনীগুলো দায়িত্ব পালন করছে:
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী: শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং 'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার'-এর আওতায় সারা দেশে প্রায় ১,০০,০০৩ জন সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে [১.২.৪, ১.৩.৪]। https://crowdsynonym.com/sna4gf2x?key=2a3ca07cda47f30a2c8e6e88262b4743
বাংলাদেশ পুলিশ: নির্বাচনের প্রধান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে প্রায় ১,৮৭,৬০৩ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন [১.২.৪, ১.৩.২]।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি): সীমান্ত এলাকা ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে প্রায় ৩৭,৪৫৩ জন সদস্য মোতায়েন আছেন [১.২.৪, ১.৩.২]।
র্যাব (RAB): মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে প্রায় ৯,৩৪৯ জন র্যাব সদস্য দায়িত্বে নিয়োজিত [১.২.৪, ১.৩.২]।
আনসার ও ভিডিপি: ভোটকেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ৫,৭৬,৪৮৩ জন সদস্য কাজ করছেন [১.২.৪, ১.৩.২]।
বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী: উপকূলীয় এলাকা ও আকাশপথে নজরদারির জন্য যথাক্রমে ৫,০০০ এবং ৩,৭৩০ জন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে [১.২.৪, ১.৩.২]।
অন্যান্য বাহিনী: এছাড়া কোস্ট গার্ড (৩,৫৮৫ জন), বিএনসিসি (১,৯২২ জন) এবং গ্রাম পুলিশ বা দফাদার-চৌকিদার (৪৫,৮২০ জন) নির্বাচনের নিরাপত্তায় সহযোগিতা করছেন [১.২.৪, ১.৩.২]।
নির্বাচন চলাকালীন এবং আগে-পরে আইন অমান্যকারীদের তাৎক্ষণিক শাস্তির জন্য ১,০৫১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটও মাঠে রয়েছেন [১.১.৬, ১.৩.২]। বর্তমানে সেনাসদস্যদের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে নির্বাচনী এলাকায় মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েন রাখা হয়েছে [১.১.৫, ১.৩.২]।
No comments:
Post a Comment